Skip to main content

In an open relationship


রাত বারোটা পেরিয়ে গেছে, পেরিয়ে গেছে হরতাল, পেরিয়ে গেছে রাষ্ট্র মেরামত করতে 'men at work' নোটিস লাগানোর সময়, এবার কথা বলবো....
আজ হইতে আমার এই পঞ্চেন্দ্রীয় আর দশ জ্ঞানেন্দ্রীয়কে মুক্ত করলাম, এবার থেকে হা পিত‍্যেশ করে বসে থাকবো আকাশ পানে চেয়ে কখন পড়বে স্বাধীনতা টপকে আমার বার করে থাকা জিভে, আমার হোমিওপ্যাথি ওষুধের চিনির গোলা খালাসীটোলার স্পিরিটে ভিজে। টিশার্ট, জিন্স খুলে উলংগ হয়ে বসলাম রাস্তায় মুক্ত হয়ে, ঘোর অঘোর এর ফাঁদ দেখতে কখন শালা আসবে মুক্তি আসবে আমার দেহে! খুলে রাখলাম নিজেকে হাড় পাঁজর বার করে করোটির অর্ধেক উম্মুক্ত করে... এর পর থেকে আর ভালোবাসা ফেরাবো না অভিশাপবদ্ধ হয়ে... বুকে রাগ এলে ঘুষি মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়ার আগে দুইবার ভাববো না... চোখের তলায় কালি ভরা ফোলা নিয়ে বাঞ্চোত পরদিন মেসেজ করবি... জিগেস করে জেনে নিবি কি ছিল তোর অপরাধ! তার পরে আমি আরেকটা কবিতা লিখবো...
কবিতা লিখতে লিখতে গদ্য হয়ে যাবে, তোর গলা জড়িয়ে ধরে দু ফোঁটা চোখের জল ফেলে কেঁদে নেবো! অল্প দু ঘা মার খেয়ে বেঁচে গেলি বেহায়া... শুধরে যা! নয়তো আরেক বার যদি আগুন জ্বলে ওঠে প্রাণে বাঁচবি না সেদিন....

Comments

Popular posts from this blog

ভবঘুরের অনাহুত ভবঘুরে অতিথি সম্পর্কে

বুকের কোণে একটু হলেও কেমন যেন করে! একের পর এক ভবঘুরেদের সাথে কয়েকটা দিন রাত ভাগ করে নিয়ে, আবার তাদের নিজের নিজের পথে হাত দেখিয়ে রওনা করিয়ে দিতে! কিন্তু কিই বা আর করা যাবে, পথিকের সম্পূর্ণতা রাস্তায়! যারা যেখানে সুন্দর! এমন প্রত্যেকটা মিলনে যেন পার হয়ে যাচ্ছে একটা একটা করে আস্ত জীবন আমার! দিনের শেষে জীবনও তো তাই, এক অস্তিত্বহীন মহাশূন্য থেকে আরেক অস্তিত্বহীন নিঃশেষ শূন্যতার মাঝে কয়েকটা দিন বই তো কিছু নয়! পথিকের পথে এক প্রহরের গাছের ছায়া ছাড়া আর কিই বা... আজ যে গেল তার জায়গা পরবর্তী চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে নেবে অন্য কেউ! মেক্সিকান গেল, স্প্যানিশ এলো, স্প্যানিশ গেল, ফ্রেঞ্চ এলো, তাও আবার যুগলে , ফ্রেঞ্চ যাচ্ছে, আরেক ফ্রেঞ্চ আসছে, এককে... এভাবেই জীবনের রং, রস, রূপ চুষে চুষে খাচ্ছি আমি ঘরের কোণে বসে বসে! সব ভবঘুরের গল্প বাজারে বসে শোনাতে ভালো লাগে না! কিছুটা ঘটে যায় অন্তরের নিভৃত কোণে, সেটুকু নিয়ে ওদের ফেলে যাওয়া ফাঁকা ঘরের কোণায় বসে কিচ্ছুক্ষন একা সময় কাটাতেই মন চায়! মনকে পোর্টেবল স্টোভে ট্রাভেলিং কুকওয়ারে, সযত্নে লালিত মুহূর্তের তেলে ফেলে নেড়ে চেড়ে রাঁধার মতো! এ খাদ্য কি হজম হবে পেটে, নাকি আ...

লেখা ৭

আমার ঈশ্বর নেই মহাবিশ্ব মহানিয়ম আছে, আমি ঈশ্বরের উপাসক নই, ঈশ্বর প্রাপ্ত হয়ে ঈশ্বরে বিলীন হওয়ার অভিলাষী ও নই, আমি এই দুই পক্ষের মাঝামাঝি নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষ, আমি ঈশ্বরকে ভালবাসিনি, ঈশ্বরের ভালবাসা চাইওনি, ভূত এবং ঈশ্বর এই দুই পক্ষের সাথেই আমার সম্পর্ক হয়ে এসেছে চির লেনাদেনা বিহীন। তবুও মহাবিশ্বের সেই supreme set of rules কি আমাকে ছেড়ে গেছে কি? যায়নি তো! ধরাও দেয়নি... ভালবাসা না বাসার, খাঁটি আর ফাঁকি এদের মধ্যেই তো নাকানি চোবানি খাওয়াচ্ছে আমৃত্যু... ভান্ড ভর্তি ব্রহ্মান্ড নিয়ে ফাঁকি আর বাকির মাঝখানে ডুবে ডুবে জল গিলছি, গিলে গিলে তলাচ্ছি অতলে, চেনা শেষ হলেই তো দাঁতে জিভ কামড়ে রাখা গৃহিনীটির পায়ের তলায় গিয়ে সানন্দে শয্যা গ্রহণ করব.. আর কাল সবাই তার পুজো চড়াবে।

লেখা ১৩

সবই ভালবাসার অভাব, যত confusion, ধরা অধরা আর হাত পিছলে সূত্রের পালানো... কোথায় এর জন্ম wander করতে থাকা, এ সবের মূলে ওই একই উত্তর, ভালবাসার অভাব। যা কিছু হলোনা, কেন হোলনা, আর কেনই বা এমনটা হলো, বা হচ্ছে, এ সবই ওই ভালবাসার অভাব এর লীলা... আবার লীলা আর বাতেলা জিনিসটা নাকি শুনলাম আসলে একই , যে যে বাতেলারা ফ্যান আর ঈশ্বরিক properties বা ধর্ম এর অভাবে লীলা হয়ে উঠতে পারেনা তারাই নাকি বাতেলা হয়ে থেকে যায়, সেদিক দিয়ে সব লীলাই আসলে বাতেলা, আর সব বাতেলারই লীলা হয়ে ওঠার প্রবল সম্ভাবনা ছিল, সৃষ্টিও তো দিনের শেষে এক প্রকার বাতেলাই কিনা... ঠিক যেমন ভাবে সব music ই আসলে পাতি একটা শব্দ, আর সব শব্দের মধ্যেই একটা অদ্ভুত music লুকিয়ে আছে, তবুও আপনারা শব্দ আর music কে এক নামে ডাকেন না... কাজেই ভালবাসার অভাব কে লীলা ও বাতেলা দুই বলে গণ্য করা যায়, পুরোটাই নির্ভর করছে ভালবাসার প্রতি কতটা ভালবাসা আছে তার ওপরে। তাই আপনার ভাল কবিতা খারাপ কবিতা এও ওই ভালবাসার অভাবের রেজালট্যান্ট।