সবই ভালবাসার অভাব, যত confusion, ধরা অধরা আর হাত পিছলে সূত্রের পালানো... কোথায় এর জন্ম wander করতে থাকা, এ সবের মূলে ওই একই উত্তর, ভালবাসার অভাব। যা কিছু হলোনা, কেন হোলনা, আর কেনই বা এমনটা হলো, বা হচ্ছে, এ সবই ওই ভালবাসার অভাব এর লীলা... আবার লীলা আর বাতেলা জিনিসটা নাকি শুনলাম আসলে একই , যে যে বাতেলারা ফ্যান আর ঈশ্বরিক properties বা ধর্ম এর অভাবে লীলা হয়ে উঠতে পারেনা তারাই নাকি বাতেলা হয়ে থেকে যায়, সেদিক দিয়ে সব লীলাই আসলে বাতেলা, আর সব বাতেলারই লীলা হয়ে ওঠার প্রবল সম্ভাবনা ছিল, সৃষ্টিও তো দিনের শেষে এক প্রকার বাতেলাই কিনা... ঠিক যেমন ভাবে সব music ই আসলে পাতি একটা শব্দ, আর সব শব্দের মধ্যেই একটা অদ্ভুত music লুকিয়ে আছে, তবুও আপনারা শব্দ আর music কে এক নামে ডাকেন না... কাজেই ভালবাসার অভাব কে লীলা ও বাতেলা দুই বলে গণ্য করা যায়, পুরোটাই নির্ভর করছে ভালবাসার প্রতি কতটা ভালবাসা আছে তার ওপরে। তাই আপনার ভাল কবিতা খারাপ কবিতা এও ওই ভালবাসার অভাবের রেজালট্যান্ট।
বুকের কোণে একটু হলেও কেমন যেন করে! একের পর এক ভবঘুরেদের সাথে কয়েকটা দিন রাত ভাগ করে নিয়ে, আবার তাদের নিজের নিজের পথে হাত দেখিয়ে রওনা করিয়ে দিতে! কিন্তু কিই বা আর করা যাবে, পথিকের সম্পূর্ণতা রাস্তায়! যারা যেখানে সুন্দর! এমন প্রত্যেকটা মিলনে যেন পার হয়ে যাচ্ছে একটা একটা করে আস্ত জীবন আমার! দিনের শেষে জীবনও তো তাই, এক অস্তিত্বহীন মহাশূন্য থেকে আরেক অস্তিত্বহীন নিঃশেষ শূন্যতার মাঝে কয়েকটা দিন বই তো কিছু নয়! পথিকের পথে এক প্রহরের গাছের ছায়া ছাড়া আর কিই বা... আজ যে গেল তার জায়গা পরবর্তী চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে নেবে অন্য কেউ! মেক্সিকান গেল, স্প্যানিশ এলো, স্প্যানিশ গেল, ফ্রেঞ্চ এলো, তাও আবার যুগলে , ফ্রেঞ্চ যাচ্ছে, আরেক ফ্রেঞ্চ আসছে, এককে... এভাবেই জীবনের রং, রস, রূপ চুষে চুষে খাচ্ছি আমি ঘরের কোণে বসে বসে! সব ভবঘুরের গল্প বাজারে বসে শোনাতে ভালো লাগে না! কিছুটা ঘটে যায় অন্তরের নিভৃত কোণে, সেটুকু নিয়ে ওদের ফেলে যাওয়া ফাঁকা ঘরের কোণায় বসে কিচ্ছুক্ষন একা সময় কাটাতেই মন চায়! মনকে পোর্টেবল স্টোভে ট্রাভেলিং কুকওয়ারে, সযত্নে লালিত মুহূর্তের তেলে ফেলে নেড়ে চেড়ে রাঁধার মতো! এ খাদ্য কি হজম হবে পেটে, নাকি আ...
Comments
Post a Comment