বুকের কোণে একটু হলেও কেমন যেন করে! একের পর এক ভবঘুরেদের সাথে কয়েকটা দিন রাত ভাগ করে নিয়ে, আবার তাদের নিজের নিজের পথে হাত দেখিয়ে রওনা করিয়ে দিতে! কিন্তু কিই বা আর করা যাবে, পথিকের সম্পূর্ণতা রাস্তায়! যারা যেখানে সুন্দর! এমন প্রত্যেকটা মিলনে যেন পার হয়ে যাচ্ছে একটা একটা করে আস্ত জীবন আমার! দিনের শেষে জীবনও তো তাই, এক অস্তিত্বহীন মহাশূন্য থেকে আরেক অস্তিত্বহীন নিঃশেষ শূন্যতার মাঝে কয়েকটা দিন বই তো কিছু নয়! পথিকের পথে এক প্রহরের গাছের ছায়া ছাড়া আর কিই বা... আজ যে গেল তার জায়গা পরবর্তী চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে নেবে অন্য কেউ! মেক্সিকান গেল, স্প্যানিশ এলো, স্প্যানিশ গেল, ফ্রেঞ্চ এলো, তাও আবার যুগলে
, ফ্রেঞ্চ যাচ্ছে, আরেক ফ্রেঞ্চ আসছে, এককে... এভাবেই জীবনের রং, রস, রূপ চুষে চুষে খাচ্ছি আমি ঘরের কোণে বসে বসে! সব ভবঘুরের গল্প বাজারে বসে শোনাতে ভালো লাগে না! কিছুটা ঘটে যায় অন্তরের নিভৃত কোণে, সেটুকু নিয়ে ওদের ফেলে যাওয়া ফাঁকা ঘরের কোণায় বসে কিচ্ছুক্ষন একা সময় কাটাতেই মন চায়! মনকে পোর্টেবল স্টোভে ট্রাভেলিং কুকওয়ারে, সযত্নে লালিত মুহূর্তের তেলে ফেলে নেড়ে চেড়ে রাঁধার মতো! এ খাদ্য কি হজম হবে পেটে, নাকি আমাকে পাগল করে ঘরছাড়া করবে ওদেরই পথে সে সময়ই জানে!
আমার পরের অতিথির কাছে এরই নাম নাকি 'life-surfing'...
Comments
Post a Comment