ভিড়, জটলা, লোকজনের হৈ হৈ, মার মার ধর ধর রব?কিছু একটা হচ্ছে, কিন্তু কি হচ্ছে কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না? ভিড় ভেদ করে কিছুতেই ভেতরে সিঁধতে পারছেন না? আবার ভিতরের ব্যাপারটা না জান্তে পারা অবধি পেটের মধ্যেও কেমন একটা অদ্ভুত অচেনা অনুভূতি সুড়সুড়ি দিচ্ছে? এমন অবস্থায় যদি কোনদিন ভাগ্যচক্রে পরে যান, ভুলেও বেশি বোঝার চেষ্টা করবেন না, চোখ বন্ধ করে একটা ডেঁপোমি করে ফেলুন, দমকলে একটা খবর দিয়ে দিন। বাড়ি ফাঁকা প্রেমিকার বিরহী প্রেমিক, আর কালীঘাটের হাড়-হাভাতে ভিখারি বাদে একমাত্র ওরাই তো আছেন, খবর পাওয়া মাত্র ল্যাজ তুলে না হোক, ঊর্ধ্বশ্বাসে না হোক অন্তত ঢং ঢং রবে এসে হাজির হবেন। আসতে আসতে এলাকায় ঢোকার শহরের সব প্রান্ত থেকে যত রাস্তা আছে তার অর্ধেক খালি, কারণ তখন সবাই ভাবছে কোথাও একটা লেগেছে লেগেছে লেগেছে লেগেছে আগুন, আর সেই এলাকায় যদি কপালের কপালফেরে কোনো পুলিশ মামা থেকে থাকেন, যাদের পোশাকতুতো মাসতুতো ভাই বলে আবার দমকলের বীর ঢংঢংকারী দের ধরা যায়, সেইমামারাও ভাববেন নিশ্চয়ই আশপাশে কোথাও কারোর একটা সযত্নে লালিত শকুনের বাসা ঝাঁটে আগুন লেগেছে, কাজেই ওই অকুস্থলটিও খালি করে দেওয়া তার আশু সাংবিধানিক কর্তব্যগুলির মধ্যে একটা। ফলে মাঝখান থেকে কি হল কিছু হৃদয়ঙ্গম করলেন?? শাস্ত্রে আছে হৃদিস্থিত হৃষিকেশ হচ্ছেন ভাবগ্রাহী জনার্দন, প্রভুর মহিমায় ভক্তবাঞ্ছা কল্পতরু আপনার হৃদকমলে বসেই আপনার বাসনাটুকু টের পেয়ে গেলেন... এলাকা খালি, দুই প্রকার খাকি পোশাকধারী উপস্থিত, আর আপনি স্বয়ং...
বুকের কোণে একটু হলেও কেমন যেন করে! একের পর এক ভবঘুরেদের সাথে কয়েকটা দিন রাত ভাগ করে নিয়ে, আবার তাদের নিজের নিজের পথে হাত দেখিয়ে রওনা করিয়ে দিতে! কিন্তু কিই বা আর করা যাবে, পথিকের সম্পূর্ণতা রাস্তায়! যারা যেখানে সুন্দর! এমন প্রত্যেকটা মিলনে যেন পার হয়ে যাচ্ছে একটা একটা করে আস্ত জীবন আমার! দিনের শেষে জীবনও তো তাই, এক অস্তিত্বহীন মহাশূন্য থেকে আরেক অস্তিত্বহীন নিঃশেষ শূন্যতার মাঝে কয়েকটা দিন বই তো কিছু নয়! পথিকের পথে এক প্রহরের গাছের ছায়া ছাড়া আর কিই বা... আজ যে গেল তার জায়গা পরবর্তী চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে নেবে অন্য কেউ! মেক্সিকান গেল, স্প্যানিশ এলো, স্প্যানিশ গেল, ফ্রেঞ্চ এলো, তাও আবার যুগলে , ফ্রেঞ্চ যাচ্ছে, আরেক ফ্রেঞ্চ আসছে, এককে... এভাবেই জীবনের রং, রস, রূপ চুষে চুষে খাচ্ছি আমি ঘরের কোণে বসে বসে! সব ভবঘুরের গল্প বাজারে বসে শোনাতে ভালো লাগে না! কিছুটা ঘটে যায় অন্তরের নিভৃত কোণে, সেটুকু নিয়ে ওদের ফেলে যাওয়া ফাঁকা ঘরের কোণায় বসে কিচ্ছুক্ষন একা সময় কাটাতেই মন চায়! মনকে পোর্টেবল স্টোভে ট্রাভেলিং কুকওয়ারে, সযত্নে লালিত মুহূর্তের তেলে ফেলে নেড়ে চেড়ে রাঁধার মতো! এ খাদ্য কি হজম হবে পেটে, নাকি আ...
Comments
Post a Comment